Development of E-Agro database for helping farmers in Bangladesh.

তারিখ 11-01-2026

আজ কৃষি ফসলের বাজার মূল্য



    ১. আলু প্রতি কেজিতে ৫০পয়সা
    দাম বৃদ্ধি পেয়ে মূল্য দাঁড়িয়েছে
    ১১ টাকা প্রতি কেজি


    ২.মরিচ প্রতি কেজিতে ৫ টাকা
    দাম বৃদ্ধি পেয়ে মূল্য দাঁড়িয়েছে
    ৮৫ টাকা প্রতি কেজি


    ৮.গম প্রতি কেজিতে ৪ টাকা
    দাম হ্রাস পেয়ে মূল্য দাঁড়িয়েছে
    ২৫ টাকা প্রতি কেজি

মাটির বৈশিষ্ট্যঃ

বিভিন্ন মৃত্তিকা কণার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ তিনটি হলঃ কর্দম বা এঁটেল, বেলে বা দোআঁশ মাটি। নিচে এদের বৈশিষ্ট উল্লেখ করা হলঃ
ক) কর্দম বা এঁটেল মাটির বৈশিষ্টঃ এ মাটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্টগুলো নিম্নরুপঃ
১। এঁটেল মাটিতে ৭০-৭৫ পর্যন্ত কর্দম কণা থাকে।
২।এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা খুব বেশি।
৩। ভেজা এঁটেল মাটি আঠালো, পিচ্ছিল ও চটচটে হয়।
৪।শুষ্ক অবস্থায় এ মাটি খুব শক্ত হয় বিধায় কর্ষণ করা কঠিন।
৫।এঁটেল মাটির জ্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতা খুব বেশি।
৬। কণার ব্যাস ০.০০২ মি.মি. এর কম।

খ) বেলে মাটির বৈশিষ্ট্যঃ এ মাটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্টগুলো নিম্নরুপঃ

১। বেলে মাটির ৮৫-৯৫% পর্যন্ত বালিকণা থাকে।
২। এ মাটির রন্ধ্র পরিসর কম।
৩।বেলে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা খুব কম।
৪।এ ধরণের মাটি আঙ্গুলে ঘষলে মিছরির মত মনে হয়।
৫। বেলে মাটি হাতের মুঠোয় নিয়ে চাপ দিলে দলা বাঁধে না।
৬। কণাগুলো খালি চোখে দেখা যায়।
৭। শুষ্ক অবস্থায় এ মাটি নরম ও ঝুরঝুরে হয়।
৮। কণাগুলোর পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল খুবই কম।

গ)দোআঁশ মাটির বৈশিষ্ট্যঃ এ মাটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্টগুলো নিম্নরুপঃ

১। এ মাটিতে প্রায় ৫০% বেলে এবং ৫০% পলি ও কর্দম কণা থাকে।
২।মাটিতে বেলে কণিকার প্রাধান্য থাকায় পানিবদ্ধতার সৃষ্টি হয় না।
৩।দোআঁশ মাটি রসালো হওয়ায় কর্ষণ কাজ সহজ ও ঢেলার সৃষ্টি হয় না।
৪।এ মাটির সংযুক্তি উন্নত বিধায় পানি ধারণ ও শোষণ ক্ষমতা ভাল।
৫। শষ্য উৎপাদনের জন্য দোআঁশ মাটি অতি উত্তম।
৬। এ ধরনের মাটিতে ধান, গম, পাট,আখ, শাকসবজিসহ সকল ফসল ভাল হয়।

হ্যা না




পূর্ববর্তী ভোটের ফলাফল দেখুন