- কৃষি পরিবেশ অঞ্চল
- মাটির প্রকৃতি
- উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান
-
ফসল পরিচয়
- মাঠ ফসল
- উদ্যান ফসল
- ভেষজ ফসল
- বনজ ফসল
- ফসলের গুরুত্ব ও চাষ পদ্ধতি
- নার্সারী
- নার্সারীর সাধারণ তথ্য
- নার্সারী উপকরণ ও যন্ত্রপাতি
- নার্সারী স্থাপন
- শিকড় ছাটাই ও চারা শ্রেণীকরণঃ
- নার্সারীর মাতৃগাছ
- চারা শনাক্তকরণঃ
- নার্সারীর ঘেরাবেড়া
- উদ্ভিদের বংশবিস্তার
- সাধারণ তথ্য
- অংগজ বংশবিস্তার বা কলম
- সাধারণ তথ্য
- চারা কলম উৎপাদন
- নার্সারীর বালাই ব্যবস্থাপনা
- নার্সারীর সাধারণ তথ্য
- নগর উদ্যান
- কৃষি উপকরণ
- খাদ্য ও পুষ্টি
- উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান
- মাশরুম
- অন্যান্য কৃষি প্রযুক্তি
- প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি
- সাধারণ তথ্য
- প্রকারভেদ
- প্রক্রিয়াজাতকৃত খাদ্য
- প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান
- সাধারণ তথ্য
- কৃষি উন্নয়ন সহযোগী
- শিক্ষা
- গবেষণা
- সম্প্রসারণ
- বেসরকারী সংস্থা
- প্রকাশনা
- প্রক্রিয়াজাতকরণ
- বিপণন
- আমদানী রপ্তানী
- অর্থলগ্নীকারক
- কৃষি আইন, বিধি ও নীতিমালা

তারিখ
11-01-2026
আজ কৃষি ফসলের বাজার মূল্য
মাটির প্রকারভেদ
মাটির অজৈব অংশ বিভিন্ন প্রকার কণা দ্বারা গঠিত; যথা- মোটা বালিকণা, সুক্ষকণা, পলিকণা ও কর্দমকণা। মাটির বুনটের উপর ভিত্তি করেই মাটিকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে; যথা-ক) বেলে মাটি, খ)দোআঁশ মাটি,গ) এঁটেল মাটি
ক) বেলে মাটিঃ
যে মাটিতে শতকরা ৭০ ভাগ বা তার বেশি বালিকণা থাকে তাকে বেলে মাতি বলে। মতুভুমি চরাঞ্চল ও সমুদ্র উপকূলে বেলে মাটি দেখা যায়। বেলে মাটির কণা গুলো বড় বড়। এই মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কম। মাটির ছিদ্র বেশি হয়ার কারণে পানি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায় এবং অধিক পরিমাণে বায়ু চলাচল করে। এতে জৈব পদার্থ নেই।বেলে মাটি কৃষি কাজের উপযোগী নয়। বালির কণা মিহি হলে এবং মাটিতে প্রচুর গোবর, কম্পোস্ট, সবুজ সার ইত্যাদি প্রয়োগ করলে চিনা, কাউন, ফুটি, তুরমুজ, আলু এসব চাষ করা যায়।খ) দোআঁশ মাটিঃ
যে মাটিতে বালি , পলি ও কর্দমকণা প্রায় সমান অনুপাতে বিদ্যমান থাকে তাকে দোআঁশ মাটি বলে। তবে আদর্শ দোআঁশ মাটিতে অর্ধেক বালি এবং অর্ধেক পলি ও কর্দম কণার মিশ্রণ থাকা বাঞ্চনীয়। দোআঁশ মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমান বেশি। এই মাটির পানি ধারণ ও শোষণ ক্ষমতা উভয়ে বেশি।এই মাটি চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী। এসব কারণে প্রায় সব ধরণের ফসল্ই এই মাটিতে ভাল জন্মে। বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলের মাটিই দোআঁশ মাটি। কৃষি ক্ষেত্রে দোআঁশ মাটিকে আদর্শ মাটি বলা হয়।দোআঁশ মাটি কে আবার বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে; যেমন-
১. বেলে দোআঁশ মাটি ২. পলি দোআঁশ মাটি ৩. এঁটেল মাটি।
দোআঁশ মাটি কে আবার বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে; যেমন-
১. বেলে দোআঁশ মাটি ২. পলি দোআঁশ মাটি ৩. এঁটেল মাটি।
পূর্ববর্তী ভোটের ফলাফল দেখুন